Reading education tips

HSC বাংলা ২য় পত্র সাজেশন ২০২২

HSC Bangla 2nd Paper Suggestion

HSC বাংলা ২য় পত্র সাজেশন ২০২২ পরীক্ষা প্রস্তুতি

HSC Bangla 2nd Paper Suggestion

বাংলা ২য় পত্র

ব্যাকরণ-এর উচ্চারণ অংশের সাজেশন ও উত্তর

১ নং প্রশ্নঃ (নম্বর ৫)

ক) বাংলা উচ্চারণের নিয়ম থেকে

খ) বাংলা বানানের নিয়মরীতি ও শুদ্ধ বানান থেকে

১টি প্রশ্ন আসবে।

উপরের ২টি প্রশ্ন থেকে যেকোনো ১টি প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে

ক) উচ্চারণ অংশ থেকে সাজেশন: 

ক) বাংলা ‘অ’ ধ্বনি উচ্চারণের যে কোনো পাঁচটি নিয়ম উদাহরণসহ লেখো ।

খ) বাংলা ‘এ’ ধ্বনি উচ্চারণের যে কোনো পাঁচটি নিয়ম উদাহরণসহ লেখো । গ) উচ্চারণ রীতি কাকে বলে? বাংলা উচ্চারণের পাঁচটি নিয়ম লেখ।

ঘ) ‘ব’ ফলা/’ম’ ফলা/’য’ ফলা উচ্চারণের পাঁচটি নিয়ম লেখো ।

খ) বানান অংশ থেকে সাজেশন:

ক) বাংলা একাডেমি প্রণীত বাংলা বানানের পাঁচটি নিয়ম লেখো ।

অথবা,

খ) তৎসম শব্দের বানানের যে-কোনো পাঁচটি নিয়ম উদাহরণসহ লেখো ।

গ) অ-তৎসম শব্দের বানানের যে-কোনো পাঁচটি নিয়ম উদাহরণসহ লেখো।

গ) বাংলা বানানে ই-কার ব্যবহারের পাঁচটি নিয়ম লেখ ।

যে কোনো পাঁচটি শব্দের শুদ্ধ বানান লেখো ।

অথবা,

যে কোনো পাঁচটি শব্দের শুদ্ধ বানান লেখো 

এখানে ৮টি ভুল বানানযুক্ত শব্দ দেয়া থাকবে। যে কোনো ৫টি বানান শুদ্ধ করে লিখতে হবে।

ক) উচ্চারণের সাজেশন অংশের উত্তর

প্রশ্ন-১ : ‘অ’ ধ্বনি উচ্চারণের ৫টি নিয়ম লেখ। (সংবৃত)

ক) আদ্য অ-এর পর ”'(য) ফলাযুক্ত ব্যঞ্জনবর্ণ থাকলে ‘অ’-এর উচ্চারণ ‘ও’-কারের মতো হয়।

যেমন: পদ্য-পোদ্‌দো, বন্য-বোনো

খ) একাক্ষর শব্দের প্রথমে ‘অ’ এবং পরে দন্ত্য ‘ন’ থাকলে ‘অ-এর উচ্চারণ ‘ও’-কারের মতো হয় ৷

যেমন: মন-মোন্, জন-জোন্ ইত্যাদি ।

গ) আদ্য ‘অ’-এর পর ‘ক্ষ’ বা ‘জ্ঞ’ থাকলে ‘অ’-এর উচ্চারণ ‘ও’-কারের মতো হয়।

যেমন: দক্ষ-দোখো, অজ্ঞ-ওগ্‌গোঁ ইত্যাদি।

ঘ) আদ্য অ-এর পর ‘র’ (এ) ফলা থাকলে ‘অ’-এর উচ্চারণ ‘ও’-কারের মতো হয়

যেমন: গ্রহ-গ্রোহো, প্রভাত-প্রোভাত্ ইত্যাদি।

শ্ন-২ : ‘অ’ ধ্বনি উচ্চারণের ৫টি নিয়ম লেখ। (বিবৃত বা স্বাভাবিক)

ক) শব্দের দ্বিতীয় স্বর অ, আ, ও হলে ‘অ-এর উচ্চারণ স্বাভাবিক হয়।

যেমন: অন্ন, অক্ষর, কলম ইত্যাদি।

খ) ‘স’ উপসর্গযুক্ত আদি ‘অ’-ধ্বনি স্বাভাবিক হয়। যেমন: সজীব, সবল,

যেমন: সজীব, সবল, সবিনয় ইত্যাদি।

গ) ‘না’ অর্থে ‘অ’ বা ‘অন’ থাকলে ‘অ’-ধ্বনির স্বাভাবিক উচ্চারণ হয় ।

যেমন: অনিয়ম, অমূল্য, অমৃত ইত্যাদি

ঘ) স্বাধীনভাবে ব্যবহৃত ‘অ’।

যেমন- অমর, অনেক ।

ঙ) ‘অ’-এর নিজস্ব উচ্চারণ স্বাভাবিক বা বৃিত হয়।

যেমন-জল, সরল, কথা ইত্যাদি ।

 

আরো পডুন: HSC পরীক্ষায় ভালো করার উপায়

আরো পডুন: ব্যাকরন উদ্দেশ্য ও বিধেয় প্রত্যয় ও প্রকৃতি

 

প্রশ্ন-৩: বাংলা শব্দে আদ্য অ-কারের উচ্চারণের ৫টি নিয়ম লেখ ।

১. স্বাধীনভাবে ব্যবহৃত অ।

যেমন- অমর, অনেক।

২. অ-এর পর ক্ষ থাকলে অ-ধ্বনি উচ্চারিত হয় ও-ধ্বনির মতো।

যেমন-অক্ষ (ওখো), দক্ষ (দোখো) ইত্যাদি।

৩. ‘অ’-এর স্বাভাবিক উচ্চারণ।

যেমন-অমর, অনেক, অনল ।

ও ধ্বনির মতো উচ্চারণ।

যেমন-অধীর (ওধীর), অতুল (ওতুল)।

৫. শব্দের আদিতে না-বোধক ‘অ’।

যেমন- অটল, অনাচার।

শ্ন-৪: এ ধ্বনির উচ্চারণের যেকোনো পাঁচটি নিয়ম লেখ।

ক) তৎসম শব্দের এ-ধ্বনি উচ্চারিত হয়। দেশ, পেশ, শেষ ইত্যাদি।

খ) একাক্ষর সর্বনামে এ-ধ্বনি উচ্চারিত হয়।

যেমন-কে, যে, সে।

গ) এ-ধ্বনির পরে ই/উ-ধ্বনি থাকলে এ-ধ্বনি উচ্চারিত হয়।

যেমন-দেখি, রেণু, বেলুন

ঘ) এক, এগার, তের সংখ্যাবাচক শব্দের এ-ধ্বনি ‘অ্যা’ উচ্চারিত হয়।

ঙ) তৎসম শব্দের প্রথমে ব্যঞ্জনধ্বনির সঙ্গে যুক্ত এ-ধ্বনি উচ্চারিত হয়।

যেমন-দেশ, শেষ, প্রেম ইত্যাদি।

গ) স্বাধীনভাবে ব্যবহৃত ‘অ’।

যেমন- অমর, অনেক ।

ঘ) ‘অ’-এর স্বাভাবিক উচ্চারণ।

যেমন-অমর, অনেক, অনল।

ঙ) ‘ও ধ্বনির মতো উচ্চারণ।

যেমন-অধীর (ওধীর), অতুল (ওতুল)।

শ্ন-৫: উচ্চারণ রীতি কাকে বলে? বাংলা উচ্চারণের যে কোনো ৫টি নিয়ম লেখ ।

উত্তর: শব্দের কণ্ঠগতই উপস্থাপনই উচ্চারণ। উচ্চারণে কণ্ঠ, ধ্বনি ও শ্রুতি একসঙ্গে কাজ করে। আর বর্ণ বা শব্দের উচ্চারণের নিয়মকে উচ্চারণ রীতি বলে ।

উচ্চারণের ৫ টি নিয়ম নিচে দেয়া হলো:

ক) তৎসম শব্দের এ-ধ্বনি উচ্চারিত হয়। দেশ, পেশ, শেষ ইত্যাদি।

খ) একাক্ষর সর্বনামে এ-ধ্বনি উচ্চারিত হয়। যেমন-কে, যে, সে।

গ) স্বাধীনভাবে ব্যবহৃত ‘অ’। যেমন- অমর, অনেক ।

ঘ) ‘অ’-এর স্বাভাবিক উচ্চারণ। যেমন-অমর, অনেক, অনল।

ঙ) ‘ও ধ্বনির মতো উচ্চারণ। যেমন-অধীর (ওধীর), অতুল (ওতুল)।

শ্ন-৬: ব-ফলা উচ্চারণের পাঁচটি নিয়ম লেখ।

ক) আদ্য ব-ফলা অনুচ্চারিত থাকে।

যেমন: স্বামী-শামি, ত্বক তক্ ইত্যাদি।

খ) মধ্য ও অন্ত ব-ফলা উচ্চারিত না হয়ে ব্যঞ্জনকে দ্বিত্ব করে।

যেমন: বিদ্বান- বিদ্‌দান, বিশ্ব-বিশশো ইত্যাদি ।

গ) ম-এর সাথে যুক্ত ‘ব-ফলা উচ্চারিত হয়।

যেমন: লম্বা-লম্‌বা ।

ঘ) যুক্তবর্ণে ব্যবহৃত ‘ব’-ফলা অনুচ্চারিত থাকে। উজ্জ্বল-উজ্জ্বল, দ্বন্দ্ব-দদো ।

ঙ) ‘ব-এর সঙ্গে ‘ব-ফলা যুক্ত থাকলে ‘ব’-এর উচ্চারণ অবিকৃত থাকে।

যেমন: তিব্বত-তিব্বত, সাব্বাশ-সাব্বাশ

প্রশ্ন-৭: ম-ফলা উচ্চারণের পাঁচটি নিয়ম লেখ।

ক) মধ্য ও অন্ত্য ম-ফলা উচ্চারিত না হয়ে ব্যঞ্জনকে দ্বিত্ব করে।

যেমন: গ্রীষ্ম-গ্রিশশোঁ, বিস্ময়-বিশৃশঁয়।

খ) আদ্য ম-ফলা অনুচ্চারিত থাকে।

যেমন: স্মৃতি-স্মৃতি ।

গ) যুক্ত ব্যঞ্জনবর্ণের ম-ফলা উচ্চারিত হয় না।

যেমন: সূক্ষ্ম-শুখো।

ঘ) সংস্কৃত কিছু ম-ফলা উচ্চারিত হয়।

যেমন- কুষ্মান্ড –কুশ্যাডো।

ঙ) প্রমিত উচ্চারণে ‘ম’-ফলাযুক্ত ধ্বনি আনুনসিক হয়।

যেমন: স্মরণ-শঁরোন্।

চ) শব্দের শেষের ম-ফলা উচ্চারিত হয়।

যেমন-বাগ্মী-বামি, যুগ্ম-যুগ্‌মো।

HSC বাংলা ২য় পত্র সাজেশন ২০২২

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button