Covid-19Uncategorized

সিত্রাং তাণ্ডব শুরু করে দিয়েছে সিত্রাং ঘূর্ণিঝড় সব শেষ আপডেট

সিত্রাং তাণ্ডব শুরু করে দিয়েছে সিত্রাং ঘূর্ণিঝড় সব শেষ আপডেট

 

ইতিমধ্যে  দেখা  দিয়েছে  সিত্রাং  এর  কারণে  গুটি   গুটি  আবার  কখনো জোরে  বৃষ্টি  হচ্ছে  দমকা  হাওয়া  বইছে  সিত্রাং  এর  প্রভাব  পড়তে  শুরু  করেছে।

পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগর  ও  তৎসংলগ্ন  পশ্চিম  মধ্য  বঙ্গোপসাগর  এলাকায়  অবস্থানরত  ঘূর্ণিঝড়  সিত্রাং  আরো  উত্তর দিকে  অগ্রসর  হয়ে  একই  এলাকায়  অবস্থান  করছে  বিশেষ  বিজ্ঞপ্তিতে  এ  তথ্য  জানিয়েছে  আবহাওয়া  অধিদপ্তর।

জানানো  হয়েছে  ঘূর্ণিঝড়  টি  মধ্যরাতে  চট্টগ্রাম  সমুদ্র  বন্দর  থেকে  ৭০৫  কিলোমিটার  দক্ষিণ-পশ্চিমে  কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর  থেকে  ৬৫০  কিলোমিটার  দক্ষিণ-পশ্চিমে  মংলা  সমুদ্র  বন্দর  থেকে  ৬২৫  কিলোমিটার  দক্ষিণ-পশ্চিমে  এবং  পায়রা  সমুদ্র  বন্দর  থেকে  ৬৫০  দক্ষিণ-  ও দক্ষিণপশ্চিমে  অবস্থান করছিল।

সিত্রাং   আরও  ঘনীভূত  হয়ে  উত্তর – উত্তরপূর্ব  দিকে  অগ্রসর  হতে  পারে  ঘূর্ণিঝড়  কেন্দ্রের  ৫৪  কিলোমিটারের  মধ্যে বাতাসের  একটানা  গতিবেগ  ঘণ্টায়  ৬২  কিলোমিটার  যা  দমকা  অথবা  ঝড়োহাওয়ার  আকারে  ৮৮ কিলোমিটার পর্যন্ত  বৃদ্ধি  পাচ্ছে।

ঘূর্ণিঝড়  কেন্দ্রের  নিকটবর্তী  সাগর  বিক্ষুব্ধ  রয়েছে  চট্টগ্রাম  কক্সবাজার  ও  মংলা  ও  পায়রা   সমুদ্র  বন্দরের  জন্য  চার নম্বর  স্থানীয়  সতর্কতা  সংকেত  অপরিবর্তিত  রাখা  হয়েছে।

উত্তর  বঙ্গোপসাগর  ও  গভীর  সাগরে  অবস্থানরত  মাছ  ধরার  নৌকা  ও  ট্রলারকে  পরবর্তী  নির্দেশ  না  দেয়া  পর্যন্ত নিরাপদ  আশ্রয়ে  থাকতে  বলেছে  আবহাওয়া  বিভাগ।

ঘূর্ণিঝড়  সিত্রাং  প্রভাবে  গতরাত  থেকে  উপকূলীয়  অঞ্চল  সহ  দেশের  বিভিন্ন  স্থানে  মাঝারি  আকারের  বৃষ্টিপাত  হচ্ছে।  এদিকে  উপকূলবর্তী  ঝুঁকিপূর্ণ  এলাকা  গুলোতে  আশ্রয়  কেন্দ্রে  প্রস্তুত  করেছে  স্থানীয়  প্রশাসন।

ঝুঁকিতে  থাকা  মানুষদের  নিরাপদে  সরিয়ে  আনতে  এরই  মধ্যে  শুরু  হয়েছে  তৎ পরতা  বরগুনার  সিত্রাং  আছেন  ক্ষতিগ্রস্ত  বেরিবাধ  সগন্গো  বাসিন্দারা  ভোলা  জেলার  ৮০৫  কিলোমিটার এর  মাঝে  মধ্যে  সাড়ে  ৯.৩০  কিলোমিটার বাঁধ  বেশি  ঝুঁকিতে  আছে  বলে  জানিয়েছেন  স্থানীয়রা।

এদিকে  ভোলার  ৭  উপজেলার  প্রস্তুত  করা  হচ্ছে  ৭৪৬  টি  আশ্রয়  কেন্দ্র  খোলা  হয়েছে  কন্ট্রোল  রুম।

স্থানীয়  প্রশাসন  বলেছেন  ঘূর্ণিঝড়ের  আঘাত  হানলে  ক্ষতিগ্রস্ত  মানুষের  প্রয়োজনীয়  জিনিসপত্র  ওষুধ  পানি  লাগে  সব  সংগ্রহ  করে  রেখেছে  এবং  স্থানীয়দের  ভালো  রাখার  জন্য  যা  যা করণীয়  তা  তারা  তারা  করতেছে  এবং  ওষুধ পানি  যা দরকার  তারা  পাশে  রেখে  কার্যক্রম  চালিয়ে  যাচ্ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button