Reading education tips

মোবাইল ফোন ব্যবহারের ক্ষতিকর দিকগুলো

মোবাইল ফোন ব্যবহারের ক্ষতিকর দিকগুলো

মোবাইল ফোন ব্যবহারের ক্ষতিকর দিকগুলো মোবাইল ফোনে এখন আমাদের প্রতি মুহূর্তে দরকার জীবনের প্রথম গুরুত্বপূর্ণ প্রয়োজন মটাছে এয় ফোন কিন্তু তা করতে গিয়ে  শারীরিক-মানসিক হুমকির মুখে পড়ছে নিজের অজান্তেই তা কি আপনি জানে?

কথা বলার সময় মোবাইল ফোন থেকে প্রতিনিয়ত ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক রেডিয়েশন হয় তার রয়েছে মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি বিশেষত ১৬ বছরের কম বয়সী শিশু গর্ভবতী মা ও অসুস্থ রোগীদের ওপর।বিজ্ঞানী বলে মোবাইল ফোন থেকে যে পরিমাণ রেডিয়েশন হয় তাই একটি মাইক্রোওয়েভ ওভেনের সমান। আর কথা বলার জন্য মোবাইল ফোনটা যখন মিনিট ১৫ ধরে আপনি কানে লাগিয়ে রাখুন এর প্রভাবে কি পরিমান তাপ লাগে আপনার মুখে মাথায়  তা বলাবাহুল্য । মোবাইলে কথা বলার সময় সাথে সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ি তাপমাত্রা পরিমাণ।

বেশি ধরে কথা বল্লে কি হবে?

যেমন পাঁচ মিনিট কথা বলে তাপমাত্রা ০.৫ ডিগ্রি সেলসিয়স আছে। কিন্তু আপনি যখন ১৫ মিনিট ধরে কথা বলি তখনি তাপমাত্রা বেড়ে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস মানে দেহের সাভাবিক তাপমাত্রা ৯৮ ডিগ্রি ফারেনহাইট হিসাবে সে সময় আপনার দেহের বিশেষত মাথার তাপমাত্রা হচ্ছে ১০৩ ডিগ্রি ফারেনহাইট সিসু দেয়ে খুচনি ঘটানোর যন্য যা যথেষ্ট।

এমন কি মোবাইলে কথা বলতে বলতে গাড়ি আগুন লাগা বা হাত পুড়ে যাওয়া আমাকে দুর্ঘটনার খবর গুলো এজন্যই শোনা যায়। অতিরিক্ত মোবাইল ব্যবহারের ফলে যেসব শারীরিক মানসিক প্রভাব পড়তে পারে তাহলে, মাথাব্যথা অবসাদ ঘুম না হওয়াতে শক্তি কমে যাওয়া আর সিমার পুরুষ প্রজনন ক্ষমতা কমায় হাতের হাড় ব্যথা শ্রবণ শক্তি কমে যাওয়া এবং দ্রুত বুড়িয়ে যাওয়া।

ক্যান্সার এবং মোবাইল ফোনের মধ্যে কোনো সম্পর্ক আছে কিনা তা নিয়ে যারা গবেষণা করেছেন তাদের প্রায় সবাই একমত যে সম্পর্ক আছে। আমেরিকান ক্যান্সার সোসাইটির ওয়েবসাইটে বলা হচ্ছে মোবাইল ফোন ওপেন টিউমার সমাজ ও গলার টিউমার এর ঝুঁকি অনেকটাই বাড়িয়ে দিতে পারে গবেষকরা বলেন আপনার দেহে যে অংশগুলো মোবাইল ফোনে বেশি কাছে কাছে থাকে সে আংশ গুলির ঝকি ও বেশি

যেমন পুরুষরা সাধারণত মোবাইল রাখে তাদের প্যান্টের সামনে-পেছনে কমিটি ১০ বছর ধরে পরিচালিত হয়েছে এমন একটি পরীক্ষা থেকে দেখা গেছে পুরুষের শুক্রাণুর পরিমাণ কমেছে কমেছে উর্বরাশক্তি।

গবেষণায় দেখা গেছে সেলফোন মেডিসিন এর সংস্পর্শে বেশি থাকলে মনের ভেতর ঘটে ফ্রিরেডিকেল ফর্মেশন নামে একটি অস্বাভাবিক জৈব প্রক্রিয়া যা ব্রেইন টিউমার সৃষ্টির কারণ।

আর মোবাইলের কারণে সবচেয়ে বেশি হবার ঝুঁকি যে ব্রেইন টিউমারের তার নাম আত্মিক নিউরোমা। গবেষণায় দেখা গেছে পাঁচ বছর ধরে যারা দিনে বেশি সময় মোবাইল ফোন ব্যবহার করেছে আত্মিক নিউরোমা তাদের বেড়েছে ১২৫ ভাগ।

আর যারা পাঁচ থেকে দশ বছর ধরে এ ব্যবহার করেছে তাদের বেড়েছে ২৫০ ভাগ আর যারা ১৫ বছরেরও বেশি সময় ধরে এই যথেচ্ছ ব্যবহার করেছে তাদের ঝুঁকি বেড়েছে ২৭৫ ভাগ মোবাইলের কারণে সৃষ্টি হয় স্যালাইভা গ্ল্যান্ডের টিউমার।

প্রখ্যাত ডাক্তার সার্জন অধ্যাপক ডাক্তার প্রাণ গোপাল দত্তের মতে ইদানিং বেশি সেলারি গ্ল্যান্ডের টিউমার বেড়ে গেছে অনেক প্রতিমাসে চার থেকে পাঁচটি সার্জারি করেন তিনি সালিভারি টিউমার এর। ।

কিন্তু এর পতি কার তাহলে কি প্রতিকার তাহলে কি মোবাইল ফোন ব্যবহার না করেও তো চলা সম্ভব নয়। সচেতন মহল বনমলছে কিছু পতি কারের কথা।

কথা বলার সময় ৩ মিনিটের সীমিত রাখ একবার কথা বলার পর ১৫ মিনিট বিরতি দেন এ সময় ফোন ধরা বা ফোন কারা দুই থেকে বিরত থাকুন কথা না বলে টেস্ট করলে যদি কাজ হয় তাহলে তাই করুন।

সরাসরি কোন মোবাইল সেট কানে না লাগিয়ে ফোনের স্পিকার বা হেড ফোনে কথা বলুন – তবে আবার উচ্চশব্দে কানে হেডফোন লাগিয়ে রাখবেন না।

আরো পড়ুন

আমার জীবনের লক্ষ্য গল্প

সমাট ফোনের ফিচার রেডিও ফ্রিকোয়েন্সির বেশি এডিশন কম সম্ভব হলে ফিচার ফোনে  ব্যতীত স্মার্টফোনের বিভিন্ন সার্ভিস বন্ধ রাখুন।

যেমন ওয়াইফাই ব্লুটুথ জিপিএস বন্ধ রাখুন এবং ল্যন ফোন বা প্রচলিত কোনো ফোনসেট থাকলে মোবাইল ফোন ভ্যাবহার করবেন না ডাক্তার নার্স সহজ চিকিৎসা সেবা দানের সাথে সংশ্লিষ্টদের এ বিষয়ে সচেতনতা বাঞ্ছনীয়।

অপারেশন থিয়েটারের সামনে মোবাইল দূরে রাখার চেষ্টা করুন। ঘুমের সময় ফোন মাথার কাছে না রেখে ৫/৬ ফুট দূরে রাখুন। তবে সবচেয়ে ভালো অভ্যস হলো রাত ১১ ফোন বন্ধ করে ঘুমাতে যাওয়া। সব শেষে শিশু মোবাইল ব্যবহারের সুযোগ না দেওয়া।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button