Uncategorized

বাছুরের সাদা উদরাময় রোগের চিকিৎসা

বাছুরের সাদা উদরাময় রোগের চিকিৎসা

বাছুরের সাদা উদরাময় রোগের চিকিৎসা এটি ১ দিন বয়স থেকে ৩ সপ্তাহ বয়সের বাছুরের ব্যাকটেরিয়াজনিত একটি রোগ।

লক্ষণঃ

বাছুর ঘনঘন চাল ধোয়া পানির মত দূর্গন্ধযুক্ত সাদা পাতলা পায়খানা করে। বাছুরের অরুচি হয় এবং শরীরে পানি শূন্যতা দেখা দেয়। বাচুর দুর্বল ও ক্রমে ক্রমে নিস্তেজ হয়ে মারা যায়।

করণীয়ঃ
জন্মের পর বাছুরকে পর্যাপ্তপরিমাণ কাঁচলা/শাল দুধ পান করাতে হবে। বাছুরকে পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন স্থানে রাখতে হবে। দ্রুত চিকিৎসার ব্যবস্থা নিতে হবে।

চিকিৎসাঃ
সালফানামাইড বা অক্সিটেট্রাসাইক্লিন অথবা উভয় জাতীয় ঔষধ নির্ধারিত মাত্রায় ৪ – ৫ দিন ব্যবহার করতে হবে। প্রয়োজনে স্যালাইন ব্যবহার করতে হবে।

বাছুরের নাভীফোলা নেভাল ইল রোগ

এটি নবজাত বাছুরের নাভীর একটি সংক্রামক রোগ।

Also my link..

চুলের জন্য উপকারী প্রাকৃতিক উপাদান

লক্ষণঃ

জন্মের পর ২-৪ সপ্তাহের মধ্যে এ রোগ হয়। এ রোগে বাছুরের নাভী ফুলে যায়। প্রথমে শক্ত ও পরে নাভীতে ঘা ও পুঁজ হয়।

করণীয়ঃ
জন্মের পর নাড়ী নতুন ব্লেড/ছুরি দিয়ে কেটে ক্ষত স্থানে জীবাণুনাশক ঔষধ (টিংচার আয়োডিন, স্যাভলন, ডেটল) লাগাতে হবে। গাভীকে বাছুরের নাভীচাটা থেকে বিরত রাখতে হবে।

চিকিৎসাঃ
পেনিসিলিন অথবা ষ্ট্রেপটোপেনিসিলিন জাতীয় ইনজেকশন নির্ধারিত মাত্রায় ৫ – ৭ দিন ব্যবহার করতে হবে।

প্যারাটিউবারকিউলসিস প্রতিরোধ

প্যারাটিউবারকিউলসিস গরুর একটি ছোঁয়াচে রোগ। Mycobacterium paratuberculosis নামের এক জাতীয় ব্যাক্টেরিয়ার কারণে এ রোগ হয়। একে ‘জোনস’ ডিজিসও বলে। এ রোগের ফলে দুগ্ধবতী গাভীর দুধ উৎপাদন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়। এ রোগে গাভী মারাও যেতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্রে এক হাজার গাভী রয়েছে এমন একটি দুগ্ধ খামার প্যারাটিউবারকিউলসিস রোগের কারণে বছরে প্রায় দুই লাখ ইউএস ডলার ক্ষতির সম্মুখীন হয়। আমাদের দেশে ক্ষতির পরিমাণ কত সে বিষয়ে কোনো পরিসংখ্যান না থাকায় সঠিকভাবে বলা যাচ্ছে না। প্যারাটিউবারকিউলসিস রোগে দুগ্ধবতী গাভীর দুধ উৎপাদন কমে যাওয়া ছাড়াও বিভিন্ন ধরনের লক্ষণ দেখা যায়। দীর্ঘস্থায়ী এবং ভয়ংকর ডায়রিয়া তার মধ্যে অন্যতম।

ডায়রিয়ায় পানি ও প্রয়োজনীয় খনিজ লবণ হারানোর কারণে গরুর শরীর শুকিয়ে যায়, ওজন কমে যায় এবং চামড়া রুক্ষ হয়ে যায়। কয়েক সপ্তাহ পর চোয়ালের নীচে ফুলে উঠে। দেখে মনে হয় বোতল জাতীয় কিছু মুখে রেখে হয়ত মুখ বন্ধ করে আছে। তাই একে ‘বটল জো’ বলে। প্রোটিন ঘাটতির কারণে এমনটি হয়ে থাকে।

প্যারাটিউবারকিউলসিস প্রতিরোধ করা মোটেও সহজ নয়। ব্যাক্টেরিয়ার সংক্রমণের উৎস কিছুতেই বন্ধ করা যায় না। ব্যাক্টেরিয়ার সংক্রমণ বন্ধ না করতে পারায় রোগ প্রতিরোধ করাও সম্ভব হয় না। তবে প্যারাটিউবারকিউলসিস প্রতিরোধে নতুন উপায়ের কথা শুনিয়েছেন আমেরিকান এগ্রিকালচারাল রিসার্চ সার্ভিসের।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Back to top button